রাত পোহালে ‘সিনিয়র সিটিজ়েন’! গ্যালাক্সি ছেড়ে পনবেলের খামারবাড়িতে রয়েছেন সলমন, কেমন আয়োজন?

 

সাধারণত অভিনেতার জন্মদিনে প্রতি বছরই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমান অনুরাগীরা। কিন্তু, এ বছর নাকি মুম্বইয়ে নয়, পনবেলের খামারবাড়িতে জন্মদিন পালন করবেন তারকা। আমন্ত্রিত কারা?



এ বছরে দেশের প্রবীণ নাগরিক হতে চলেছেন সলমন খান। যদিও অভিনেতার কাছে বয়স সংখ্যামাত্র। এখনও তিনি তরুণ। জন্মদিনের দিনপাঁচেক আগেই পেশিবহুল চেহারায় ঘাম ঝরানো ছবি দেন। সাধারণত অভিনেতার জন্মদিনে প্রতি বছরই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমান অনুরাগীরা। কিন্তু, এ বছর নাকি মুম্বইয়ে নয়, পনবেলের খামারবাড়িতে জন্মদিন পালন করবেন তারকা।


গত বছর থেকে ক্রমাগত মৃত্যুর হুমকি পাচ্ছেন অভিনেতা। যার ফলস্বরূপ ‘গ্যালাক্সি’র (মুম্বইয়ে সলমনের ফ্ল্যাটবাড়ি) খোলা ঝুলবারান্দায় বসেছে ‘বুলেটপ্রুফ’ কাচ। এ বার কি নিজের সুরক্ষা নিয়ে আরও বেশি সচেতন অভিনেতা? সেই কারণেই কি নিজের খামারবাড়িতে সবটা আয়োজন করছেন? সেই উত্তর অজানা।

তবে প্রতি বছরের মতো এ বছরেও কেক কাটা হবে। তার পরে পরিবারের সকলের সঙ্গে বিরিয়ানি খাবেন, তার পরে বসবে গানের আসর। এ বছর বলিউডের একাধিক তারকা থেকে প্রযোজক-পরিচালকদের আসার কথা রয়েছে তাঁর জন্মদিনের পার্টিতে। কিন্তু কারা রয়েছেন এই তালিকায়, সেই নিয়ে মুখে কুলুপ সকলের। সলমনের চর্চিত বান্ধবী ইউলিয়া ভন্তুর নাকি বিশেষ কিছু আয়োজন করেছেন অভিনেতার জন্য। এ ছাড়াও সলমন নিজের দীর্ঘ কর্মজীবনে যে সব পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাঁরা নাকি অভিনেতার দীর্ঘ সফর নিয়ে একটি বিশেষ ভিডিয়ো তৈরি করেছেন। সেই ভিডিয়ো দেখানো হবে অভিনেতার জন্মদিনে।

রোজই তৈরি হচ্ছে নয়া রেকর্ড, আবার নতুন উচ্চতায় সোনা-রুপা

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, সোনা-রুপোর দাম বৃদ্ধি স্বাভাবিক। সেই জন্যই লগ্নির মাধ্যম হিসেবে তা ভরসাযোগ্য। তবে এখন তা চড়ছে একটু বেশি গতিতে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৯:১৮



প্রতি দিন নতুন নজির গড়তে গড়তে এগিয়ে যাচ্ছে দুই দামি ধাতু, সোনা এবং রুপো। মঙ্গলবারও তার ব্যতিক্রম ঘটল না। এ দিন কলকাতায় ১০ গ্রাম পাকা সোনা (২৪ ক্যারাট) এই প্রথম ১,৩৭,৩০০ টাকা ছুঁয়ে সর্বোচ্চ হল। যা সোমবারের থেকে প্রায় ২৬৫০ টাকা বেশি। ফলে রেকর্ড গড়ে ১,৩০,৫০০ টাকায় পৌঁছেছে গয়নার সোনাও। অন্য দিকে, একই ভাবে প্রথম বার ২,১১,২৫০ টাকা হয়ে এক কেজি খুচরো রুপো নতুন শৃঙ্গে পা রেখেছে। এক দিনে চড়েছে ২৪৫০ টাকা।


সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, সোনা-রুপোর দাম বৃদ্ধি স্বাভাবিক। সেই জন্যই লগ্নির মাধ্যম হিসেবে তা ভরসাযোগ্য। তবে এখন তা চড়ছে একটু বেশি গতিতে। অনিশ্চয়তা আর অস্থিরতায় বিশ্ব বাজারে দাম বাড়ছে সোনার। তার প্রভাব পড়ছে দেশে। ডলারের নিরিখে টাকার তলানিতে ঠেকা দাম আমদানির খরচ বাড়াচ্ছে। বাড়তি খরচ খুচরো দামে প্রতিফলিত হচ্ছে। তার উপর এখানেও বহু মানুষ লগ্নির জন্য শেয়ার-ফান্ডের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা এড়িয়ে সোনা কিনছেন। ফলে চাহিদা বাড়ায় দ্রুত গতিতে মাথা তুলছে তার দাম।


এ দিকে বাজারে রুপোর জোগান কম। অথচ কখনও সোনার বিকল্প হিসেবে, কখনও শিল্পের প্রয়োজনে বাড়ছে চাহিদা। যা একই ভাবে তার দামও বাড়াচ্ছে। ফলে সোনা-রুপোর দামে তৈরি হচ্ছে নতুন নজির। নতুন বছরে তা কোথায় যায়, সেটাই প্রশ্ন।

২০২৬-এ শনির রুপোর পায়ে চলন কর্কট-সহ ৩ রাশিতে, হবে পদোন্নতি-অর্থলাভ

 

২০২৬-এ শনির মীন রাশির অবস্থানের প্রভাব পড়বে সব রাশির জাতকদের উপরেই। শনির সাড়ে সাতি ও ধাইয়া ছাড়াও শনির রুপোর পায়ে গমনের প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে কর্কট-সহ ৩ রাশির জাতকদের উপর।


শনির রুপোর পা



Authored By : শ্রমণা গোস্বামী


সোনা-রুপোর দাম কমাবে মোদী সরকার? সংসদে যা জানাল কেন্দ্র

 

সর্বকালীন সর্বোচ্চ দামে বিকোচ্ছে হলদে ধাতু। পাশাপাশি রুপালি ধাতুর দামও এখন রয়েছে চড়া। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা, মুদ্রাস্ফীতি এবং ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণেই চড়া রয়েছে সোনার রেট।



      *কেন সোনা ও রুপোর দাম এতটা বাড়ল?

  • *গত কয়েক দশক ধরেই অবশ্য সোনা-রুপো মহার্ঘ্য হচ্ছে।
  • *এখন পর্যন্ত সোনার চেয়ে রুপোর দামই বেশি বেড়েছে।

চলতি বছরে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে সোনা-রুপোর দর। সর্বকালীন সর্বোচ্চ দামে বিকোচ্ছে হলদে ধাতু। পাশাপাশি রুপালি ধাতুর দামও এখন রয়েছে চড়া। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা, মুদ্রাস্ফীতি এবং ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণেই চড়া রয়েছে সোনার রেট। যদিও ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত সোনার চেয়ে রুপোর দামই বেশি বেড়েছে। এ বছর সোনার দাম ৬৩ শতাংশ বেড়েছে, অন্যদিকে, রুপোও ১১৮ শতাংশ মহার্ঘ্য হয়েছে। অর্থাৎ শেয়ার বাজারের চেয়েও বেশি রিটার্ন দিয়েছে রুপো।


গত কয়েক দশক ধরেই অবশ্য সোনা-রুপো মহার্ঘ্য হচ্ছে। আর এই কারণেই আজও এই দুটি ধাতু ভারতীয়দের কাছে সঞ্চয়ের ধন হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু এই বছর মারাত্মক বৃদ্ধির পর সংসদেও এবার প্রশ্ন উঠল, সরকার কি সোনা-রুপোর দাম কমাতে কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে?


ডিএমকে সাংসদ থিরু অরুণ নেহেরু এবং সুধা আর লোকসভায় শুল্ক হ্রাস, কর পরিবর্তন, অথবা উৎসব এবং বিবাহের সময় পরিবারের বোঝা কমাতে এই ধাতুগুলির খুচরো মূল্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এর উত্তরে অর্থমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, রুপি-ডলারের হার এবং করের কারণেই দেশে সোনা-রুপোর দাম কম বা বেশি হয়। বর্তমানে সোনার দাম বৃদ্ধির কারণ রয়েছে বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা,আর্থিক গতি নিয়ে উদ্বেগ ও বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির সোনার প্রতি অতিরিক্ত সঞ্চয়ী মনোভাব দেখানো।


এ প্রসঙ্গে উত্তর দিতে গিয়ে অর্থ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী বলেন, সরকার মূল্যবান ধাতুর দাম নির্ধারণ করে না, বরং তা নির্ধারিত হয় বাজারের তরফে। তবে করের ক্ষেত্রে সুবিধা দেওয়া যায়। আর সেই কারণেই সরকার ২০২৪ সালের জুলাই থেকে সোনা আমদানির উপর শুল্ক ১৫% থেকে কমিয়ে ৬% করেছে। এছাড়াও, ধাতু সোনার চাহিদা কমাতে গোল্ড মনিটাইজেশন স্কিম (GMS), গোল্ড এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড (ETF) এবং সোভেরিন গোল্ড বন্ড স্কিমের মতো ব্যবস্থা চালু করেছে। সরকারের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে, সোনা আমদানির উপর শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছিল। এরফলে ল্যান্ডিং খরচ, চোরাচালান কমে গিয়েছে।  


কেন সোনা ও রুপোর দাম এতটা বাড়ল?

অর্থ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত RBI ৮৭৯.৫৮ টন সোনা মজুদ করেছিল। অর্থাৎ প্রতি বছরে ৫৭.৪৮ টন বৃদ্ধি হয়েছে RBI-এর কোষাগারে। তাছাড়াও, সোনা ও রূপার দাম বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হল, দুর্বল মার্কিন ডলার এবং মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের তরফেন সুদের হার হ্রাসের প্রত্যাশা। অন্যদিকে বিপুল পরিমাণে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও অপ্রতুলতা থাকায় সোনা ও রুপোর দাম বেড়েই চলেছে।

UPI-তে ২০০০ টাকার বেশি লেনদেন করলেই দিতে হবে GST?

 UPI-তে ২০০০ টাকার বেশি লেনদেন করলেই দিতে হবে GST?

ঈপ্সা চ্যাটার্জী |

 

Jul 27, 2025 | 2:12 PM

UPI Transaction: সম্প্রতিই কর্নাটকের প্রায় ৬০০০ ব্যবসায়ীকে জিএসটি নোটিস পাঠানো হয়েছে ইউপিআই লেনদেনের জন্য। এরপর থেকেই আরও জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে সরকার হয়তো ইউপিআই পেমেন্টে জিএসটি বসাতে পারে।




image


নয়া দিল্লি: ইউপিআইয়ে লেনদেন করলেই দিতে হবে জিএসটি? দীর্ঘদিন ধরেই এই নিয়ে জল্পনা। এবার সংসদে এই জল্পনা নিয়েই উত্তর দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সাধারণ মানুষের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সংসদের রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হল, ২০০০ টাকার বেশি ইউপিআই লেনদেনের উপরে কোনও জিএসটি আরোপ করা হবে না। এমন কোনও প্রস্তাব নেই। যারা  দৈনন্দিন লেনদেনের জন্য ইউপিআই (UPI) ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটা বড় স্বস্তির খবর।

গত ২২ জুলাই রাজ্যসভার বাদল অধিবেশনে অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী এই বিষয়ে তথ্য দেন। তিনি বলেন যে জিএসটি কাউন্সিল ইউপিআই লেনদেনের উপর জিএসটি আরোপের কোনও সুপারিশ করেনি। ইউপিআই পেমেন্টের উপর জিএসটি আরোপের কোনও পরিকল্পনা নেই।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতিই কর্নাটকের প্রায় ৬০০০ ব্যবসায়ীকে জিএসটি নোটিস পাঠানো হয়েছে ইউপিআই লেনদেনের জন্য। এরপর থেকেই আরও জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে সরকার হয়তো ইউপিআই পেমেন্টে জিএসটি বসাতে পারে।তবে সংসদেই কেন্দ্রের তরফে জানানো হল, এমন কোনও পরিকল্পনা নেই।

চাকরি বা ব্যবসার পাশাপাশি মাসিক লক্ষাধিক আয়, দেখুন ২০২৫ সালের সেরা ৫ আইডিয়া – Side income idea 2025

 চাকরি বা ব্যবসার পাশাপাশি মাসিক লক্ষাধিক আয়, দেখুন ২০২৫ সালের সেরা ৫ আইডিয়া – Side income idea 2025




image 


 Side income idea 2025: আজকাল পড়ালেখা করা মানেই চাকরি করা। আসলে কিন্তু তা নয়, সবকিছুর মূল হল টাকা। কোনো খরচ হোক বা টাকা যে কোনো কাজেই হোক না কেনো কেও কিন্তু চাকরির টাকা বা অন্যান্য উপায়ে আয় করা টাকার মধ্যে কোনো ফারাক খুজে না।তাহলে যদি টাকায় সব হয়ে থাকে তাহলে তা চাকরি হোক বা ব্যবসা প্রতি ক্ষেত্রে দেওয়া উচিত সমান প্রাধান্য। আসুন অবসর সময়ে এমন কয়েকটি ব্যবসার কথা উল্লেখ করছি যার মাধ্যমে মাসিক ২৫ হাজার টাকা আয় করতে পারেন।

বর্তমান যুগে এমন অনেক উপায় রয়েছে যেগুলো আপনি অফিসের কাজ বা ব্যবসার পাশাপাশি করতে পারবেন। ইন্টারনেট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের যুগে শুধুমাত্র একটি স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ দিয়েই মাসে ₹২৫,০০০ বা তারও বেশি আয় করা সম্ভব। এই প্রতিবেদনে আমরা আলোচনা করবো এমনই ৫টি বাস্তবসম্মত ও সহজ সাইড ইনকাম আইডিয়া, যা ২০২৫ সালের জন্য একেবারেই প্রাসঙ্গিক হতে চলেছে।

. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট: ব্র্যান্ডের অনলাইন বন্ধু হয়ে উঠুন

বর্তমানে প্রায় প্রতিটি ব্যবসা সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকার চেষ্টায় লেগে রয়েছে।আর তাদের প্রয়োজন একজন দক্ষ ব্যক্তি, যিনি তাদের Instagram, Facebook, LinkedIn ইত্যাদি অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারেন। যদি আপনার এই প্ল্যাটফর্মগুলোর উপর ভালো দক্ষতা থাকে এবং কিছু ক্রিয়েটিভিটি দেখানোর ক্ষমতা থাকে, তাহলে আপনি এই স্কিল থেকে মাসে ₹১০,০০০ থেকে ₹৫০,০০০ পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।

✅ কিভাবে শুরু করবেন এই কাজ ?

  1. এক বা দুইটি লোকাল ব্র্যান্ডের জন্য ফ্রি কাজ করে নিজের পোর্টফোলিও তৈরি করে ফেলুন
  2. YouTube বা Udemy-তে সোশ্যাল মিডিয়া কোর্স করতে পারেন
  3. Canva ও Buffer-এর মতো টুলস শিখুন

২. Amazon/Flipkart রিসেলিং: ঘরে বসেই নিজের দোকান

আপনি যদি বিভিন্ন পণ্য বিক্রিতে আগ্রহী হন, তাহলে Amazon বা Flipkart-এ রিসেলার হিসেবে কাজ করতে পারেন। এখানে আপনি বিভিন্ন প্রোডাক্ট লিস্ট করে ক্রেতাদের কাছে সেল করে প্রতি অর্ডারে কমিশন বা লাভের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

কেন লাভজনক এই কাজ?

  1. কোনো ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ব্যবসা শুরু করা যায়
  2. গ্রামে বা ছোট শহরে নতুন বাজার পাওয়া যায়
  3. ইন্টারনেট, GST নম্বর ও একটি ছোট স্টক থাকলেই সহজেই শুরু করা সম্ভব

📈 লাভের সম্ভাবনা: ₹২০,০০০ – ₹৬০,০০০/মাস

ঘরে বসে মাসিক আয় ৫০,০০০+! এটিএম ব্যবসা শুরু করুন নিজের এলাকায় – ATM Franchise Business Idea

৩. ইউটিউব শর্টস বা Instagram রিলস: ভাইরাল ভিডিও মানেই ইনকাম

আজকের যুগে কনটেন্টই সবকিছুর রাজা! আপনি যদি রান্না, DIY হ্যাক, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স বা কমেডি ভালো বোঝেন তাহলে ৩০-৬০ সেকেন্ডের ছোট ভিডিও তৈরি করে পোস্ট করুন YouTube Shorts বা Instagram Reels-এ কিংবা ফেসবুকে রিল এ।

প্রয়োজনীয় জিনিস:

  1. স্মার্টফোন, ভালো আলো, এবং কিছু ক্রিয়েটিভ আইডিয়া থাকতে হবে
  2. Canva, Capcut বা InShot-এর মতো অ্যাপ ব্যবহার করতে জানতে হবে
  3. প্রতিদিন কনটেন্ট আপলোড করুন এবং audience তৈরি করে ফেলুন

💰 শুরুতেই আয় হতে পারে ₹৫,০০০ – ₹৩০,০০০, পরে গিয়ের ভিউ বাড়লে ইনকামও বাড়তে পারে।

৪. কনটেন্ট রাইটিং বা ব্লগিং: শব্দ দিয়েই আয়

যদি আপনার লেখা লেখি ভালো হয়, তাহলে কনটেন্ট রাইটিং হতে পারে আপনার সেরা সাইড ইনকাম আইডিয়া। ব্লগ, ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট বা SEO আর্টিকেল — এইসবের জন্য বিভিন্ন কোম্পানি ফ্রিল্যান্স রাইটার খোঁজে থাকেন।

কোথায় কাজ পাওয়া যাবে?

  1. Fiverr, Upwork, Freelancer, Refrens
  2. Facebook Writing Groups ও LinkedIn ব্যবহার করুন
  3. নিজস্ব ব্লগ শুরু করে Google Adsense দিয়ে ইনকাম করুন

আয়ের পরিমাণ: ₹১৫,০০০ – ₹৭০,০০০+ প্রতি মাসে, স্কিল ও প্রজেক্টের উপর নির্ভর করে আর বাড়তে পারে।

৫. অনলাইন টিউটরিং বা কোর্স বিক্রি: আপনার জ্ঞানই আপনার পুঁজি

আপনি যদি কোনও বিষয়ের উপর দক্ষ হয়ে থাকেন—হোক সেটা ইংরেজি, অঙ্ক, কোডিং, ডিজাইন বা আয়ুর্বেদ যে কোনো হোক না কেনো, আপনি ঘরে বসেই অনলাইন টিউটরিং করতে পারেন।

কোথায় শুরু করবেন?

  • YouTube চ্যানেল খুলে ভিডিও আপলোড করুন
  • Udemy, Teachable, বা Unacademy-তে কোর্স বানিয়ে আপলোড করে আয় করুন
  • Zoom বা Google Meet-এ লাইভ ক্লাস নিতে পারেন

আয়: ₹১০,০০০ – ₹১,০০,০০০+ (শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং কোর্স জনপ্রিয়তার উপর নির্ভরশীল)

অতিরিক্ত কিছু আইডিয়া (Bonus Tips):

  1. Affiliate Marketing
  2. Voice-over কাজ
  3. Resume Writing
  4. Virtual Assistant
  5. Digital Product বানানো (Ebook, Template, Resume Design)

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:

এইসব সাইড ইনকাম আইডিয়া শুরু করার আগে ভালোভাবে নিজের আগ্রহ, দক্ষতা এবং সময় বিশ্লেষণ করে দেখে নিবেন। ভুলভাল ইনভেস্টমেন্ট কিংবা স্ক্যামে জড়িয়ে পড়লে ক্ষতি হতে পারে। তাই সবসময় বিশ্বাসযোগ্য প্ল্যাটফর্মে কাজ শুরু করুন এবং প্রয়োজনে এক্সপার্টের পরামর্শ নিয়ে কাজ করুন।

উপরোক্ত যে সমস্ত আইডিয়াগুলি আপনাদের জানানো হলো সে সমস্ত আইডিয়াগুলি ধরে আপনি আপনার অবসর সময়ে কিংবা আপনি বেকার হলেও এই কাজগুলি ঠিকঠাক ভাবে করে মাসে লক্ষাধিক পর্যন্ত আয় করতে পারেন। এখানে আপনার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনার দক্ষতা আগ্রহ ও অভিজ্ঞতা যে বিষয়ের উপর ভালো রয়েছে সেই বিষয় ধরে কাজ করলে খুব অল্প সময়ে সাফল্য তা পাওয়া সম্ভব হবে। কাজ শুরু করার পূর্বে নিজের অভিজ্ঞতা দক্ষতা এবং আগ্রহকে যাচাই করে নিবেন এবং পরবর্তীতে কাজ শুরু করলে সহজেই সফল হবেন।

১০০০ কোটির বাজার হাতছাড়া! জোড়া সমস্যায় জেরবার রাজ্যের পোশাক শিল্প

 ১০০০ কোটির বাজার হাতছাড়া! জোড়া সমস্যায় জেরবার রাজ্যের পোশাক শিল্প

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, রফতানি সংক্রান্ত সচেতনতার অভাব এর অন্যতম কারণ। যার প্রসারে উদ্যোগী হতে হবে রাজ্য সরকারকেই। প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোও গড়ে দিতে হবে।

অভিযোগ, রফতানির পণ্য তৈরির পরিকাঠামোরও অভাব আছে রাজ্যে। —প্রতীকী চিত্র।

এক দিকে, পণ্য তৈরির উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাব। অন্য দিকে, সেগুলির ঠিক মতো মান পরীক্ষা না করাতে পারা— জোড়া সমস্যায় রফতানির সুযোগ নিতে পারছে না রাজ্যে জামাকাপড় তৈরির বহু সংস্থা। অধিকাংশই ছোট। সংশ্লিষ্ট মহলের অভিযোগ, এর ফলে কমপক্ষে ১০০০ কোটি টাকার বাজার হাতছাড়া হচ্ছে তাদের। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, রফতানি সংক্রান্ত সচেতনতার অভাব এর অন্যতম কারণ। যার প্রসারে উদ্যোগী হতে হবে রাজ্য সরকারকেই। প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোও গড়ে দিতে হবে। না হলে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রফতানি বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে বাংলা।

পণ্যের মান পরীক্ষা এবং শংসাপত্র পাওয়া সংক্রান্ত বিষয়ের পরামর্শদাতা প্রোগ্রেসিভ ইনোভেটর-এর এমডি-সিইও সুবীর রায়চৌধুরী বলেন, ‘‘কলকাতাতেই বহু ছোট পোশাক সংস্থা রয়েছে, যাদের জিনিসের মান ভাল। কিন্তু মান পরীক্ষকের স্বীকৃতি ছাড়া সেগুলি রফতানির ছাড়পত্র পাবে না। আর পণ্যের মান পরীক্ষার সময় কারখানার সুরক্ষার পাশাপাশি কর্মীদের বেতন এবং বাধ্যতামূলক ভাবে দেয় পাওনা মেটানো হচ্ছে কি না, তা-ও যাচাই করা নিয়ম। কিন্তু সিংহভাগ সংস্থাই এগুলো পরীক্ষা করাচ্ছে না। ফলে রফতানির স্বীকৃতিও পাচ্ছে না।’’ তাঁর দাবি, কলকাতার খিদিরপুরে জামাকাপড়ের বাজার এশিয়ার বৃহত্তম। প্রায় ৫০০০ ছোট সংস্থা রয়েছে। কিন্তু রফতানির বাজারে তারা প্রায় নেই। একই হাল হাওড়া, বজবজ, সন্তোষপুর এবং অঙ্কুরহাটি অঞ্চলের হাজার খানেক পোশাক সংস্থার। তবে বারাসত-সহ কিছু এলাকার ‘গারমেন্ট পার্কের’ সংস্থাগুলি পণ্যের মান এবং সেই সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করে চুটিয়ে রফতানি করছে। তাদের ২৫% পোশাক বিদেশে যায়।

সুবীরের দাবি, ব্রিটেনের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে সে দেশে পোশাক রফতানি ২০-৩০ শতাংশ বাড়তে পারে। কারণ তা হবে শুল্কমুক্ত। আগে বসত ১০-১২ শতাংশ। শুল্ক বসবে না ব্রিটেন থেকে সেগুলির কাঁচামাল আমদানিতেও। বিশেষজ্ঞেরা মনে করাচ্ছেন নেপাল-ভূটানে রফতানির সুযোগ খোলার কথাও। সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে সড়ক পথে আমদানি বন্ধ করেছে কেন্দ্র। ওই পথেই ভারত দিয়ে নেপাল-ভূটানে পোশাক রফতানি করত তারা। এখন সমুদ্রপথে পাঠানোর বাড়তি খরচ বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই ফাঁকে নেপাল-ভূটানে বিক্রি বাড়াতে পারে ভারতের সংস্থা। সুবীরের বার্তা, খামতিগুলি দূর করে এই সব সুযোগ নেওয়ার পথ করে দেওয়া হোক রাজ্যের সব সংস্থাকেই।

পোশাক শিল্পের একাংশের অভিযোগ, রফতানির পণ্য তৈরির পরিকাঠামোরও অভাব আছে রাজ্যে। বাংলা রেডিমেড গারমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক আলমগীর ফকির বলেন, ‘‘উৎপাদনের পরিকাঠামো তৈরির নানা প্রস্তাব রাজ্যকে দিয়েছি। যেমন সন্তোষপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে একটি কমন ফেসিলিটি সেন্টার এবং একটি এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ন্যান্ট তৈরি। এ ছাড়া জামাকাপড়ের নকশা তৈরির প্রশিক্ষণের জন্য কেন্দ্র স্থাপন করাও জরুরি। রফতানির বাজার ধরার জন্য আমাদের প্রয়োজন সহযোগিতা।’’

Fish Head Nutrition: আপনি কি মাছের মাথা খেতে ভালোবাসেন? এটি খাওয়া আদৌ কি ভালো?

 Fish Head Nutrition: আপনি কি মাছের মাথা খেতে ভালোবাসেন? এটি খাওয়া আদৌ কি ভালো?

 

Jul 27, 2025 | 1:17 PM

কেউ কেউ বলেন, মাছের মাথা খাওয়া শরীরের জন্য ভালো। আসল সত্যিটা কী? বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে কী বলছেন?


Fish Head Nutrition: আপনি কি মাছের মাথা খেতে ভালোবাসেন? এটি খাওয়া আদৌ কি ভালো?

মাছে ভাতে বাঙালি… এই কথাটা বহুল প্রচলিত। কিন্তু শুধু যে বাঙালিরাই মাছ খেতে ভালোবাসেন, তেমনটা নয়। অনেকেই মাছ খেতে খুব পছন্দ করেন। কেউ কেউ বলেন, মাছের মাথা খাওয়া শরীরের জন্য ভালো। আসল সত্যিটা কী? বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে কী বলছেন? তাঁদের মতে সত্যিই মাছের মাথার নানা স্বাস্থ্যকর উপকারিতা রয়েছে।

আপনিও কি রসিয়ে খান মাছের মাথা? তা হলে এই উপকারিতাগুলো জেনে রাখা ভালো। ভোজনরসিকদের অনেকেই মাছের মাথা খেতে খুব ভালোবাসেন। অনেকের বাড়িতে রোজ মাছ রান্না হয়। মাছের মাথা দিয়ে নানা পদও অনেকের হেঁশেলে বানানো হয়।

নিম্নে মাছের মাথা খাওয়ার উপকারিতা জানানো হল –

১. মাছের মাথায় কমবেশি প্রায় সব রকম পুষ্টিগুণই মেলে।

২. কথায় বলে ‘মাছের মাথা খেলে বুদ্ধি খোলে’ এটা কিন্তু শুধু কথার কথা নয়, এর কাজ আ মাছের মাথায় থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড মস্কিষ্কের কোশ ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৩. চোখের যত্ন কার্যকরী মাছের মাথা। তাতে রয়েছে ভিটামিন-এ। মাছের মাথা খেলে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। শুধু তাই নয়, বয়স বাড়তে শুরু করলেও চট করে চোখের সমস্যা হয় না।

৪. মাছের মাথাতে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি মানসিক অবসাদ কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে মাছের মাথা খেলে হার্টের রোগও দূর হয়।

৫. হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে মাছের মাথা। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থ। এগুলো হাড় মজবুত করে।

৫. ত্বকের জন্যও বেশ উপকারী মাছের মাথা। এতে থাকা ভিটামিন ও ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।

মাথায় পাকা চুলের সংখ্যা বাড়ছে? রং করতে না চাইলে ব্যবহার করতে পারেন ঘরে তৈরি ‘জাদু তেল’

 মাথায় পাকা চুলের সংখ্যা বাড়ছে? রং করতে না চাইলে ব্যবহার করতে পারেন ঘরে তৈরি ‘জাদু তেল’

চুল পাকলেই কালো করানোর জন্য উঠেপড়ে লাগেন অনেকেই। বাজারচলতি নানা প্রসাধনী থেকে শুরু করে হেনা, চুলের রং ফেরাতে চেষ্টার কমতি রাখেন না কেউই। সমস্যার সমধান কিন্তু লুকিয়ে বাড়িতে বানানো এক তেলেই।


image 
 পাকা চুলের সমস্যায় হয়রান? ছবি: শাটারস্টক

দক্ষিণী খাবারে কারিপাতার আধিক্য বেশি। চানাচুরের মধ্যেও এই পাতা থাকে। ফোড়ন হিসাবে ডাল, ঝোল, ঝালেও কারিপাতা দেওয়া হয়। কিন্তু সমাজমাধ্যম বলছে, তরুণ প্রজন্মের কাছে এই পাতাটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে চুলের জন্য! কারিপাতা হল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এই পাতায় রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি, ডি এবং আয়রন, ক্যালশিয়াম, ফসফরাসের মতো নানা ধরনের খনিজ। এই খনিজগুলি ত্বকের কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে। নতুন কোষ তৈরিতেও সহায়তা করে। এ ছাড়াও কারিপাতায় রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, প্রোটিন এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। যা চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করার পাশাপাশি জেল্লাও ফিরিয়ে দিতে পারে।

বর্ষাকালে চুলের সমস্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। মাথায় হাত দিলেই মুঠো মুঠো চুল উঠতে থাকে। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কেবল কারিপাতা ব্যবহার করলে হবে না, সঙ্গে নারকেল তেলও মাখতে হবে। চুলের বৃদ্ধিতে নারকেল তেলের কোনও তুলনা হয় না। কারিপাতার সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে নারকেল তেলের গুণ আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
এখন অল্প বয়সেই অনেকের পাকা চুলের সমস্যা দেখা যায়। পাকা চুলের বৃদ্ধি কমাতেও নারকেল-কারিপাতা তেল দারুণ উপকারী।

কী ভাবে বানাবেন কারিপাতার তেল?

প্রথমে ১ কাপ কারিপাতা ও ১ কাপ নারকেল তেল নিয়ে নিন। কারিপাতাগুলি প্রথমে ভাল করে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। এ বার কড়াইয়ে নারকেল তেল গরম করে নিন। আঁচ যেন খুব ঢিমে থাকে। এ বার কারিপাতাগুলি দিয়ে ১৫ মিনিট ফুটতে দিন। তার পর তেল ঠান্ডা করে কারিপাতাগুলি ছেঁকে নিয়ে তেলটি কাচের শিশিতে ভরে রাখুন।

কী ভাবে ব্যবহার করবেন?

তেলটি মাথার ত্বকে ভাল করে মাখতে হবে। স্নানের আধ ঘণ্টা আগে মিনিট পাঁচেক আলতো হাতে মালিশ করুন। তার পর আধ ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে ২-৩ দিন এই তেল মালিশ করলে বর্ষায় চুলের সমস্যা অনেকটাই কমবে।

Income tax day: ভারতে আয়কর ব্যবস্থার ১৬৫ বছর, জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য

 Income tax day: ভারতে আয়কর ব্যবস্থার ১৬৫ বছর, জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য

 

Jul 24, 2025 | 8:31 PM

Income tax day: আয়কর থেকে সরকার যে রাজস্ব আদায় করে, তা বিভিন্ন কাজে লাগানো হয়। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জাতীয় নিরাপত্তা, পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ওই রাজস্ব ব্যয় করে। বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে পারে সরকার।

image 
 নয়াদিল্লি: ২৪ জুলাই আয়কর দিবস হিসেবে পালিত হয় ভারতে। আজ থেকে ঠিক ১৬৫ বছর আগে ব্রিটিশ আমলে ভারতে প্রথম আয়কর চালু হয়। ১৮৬০ সালের ২৪ জুলাই আয়কর ব্যবস্থার সূচনা করেছিলেন স্যর জেমস উইলসন। তারপর ১৯২২ সালে ভারতে আয়কর আইন চালু করেছিল ব্রিটিশরা। একশো বছর পর দেশে আয়কর ব্যবস্থার নানা বদল এসেছে। নানা সংস্কার করা হয়েছে। এখন সরকারের রাজস্ব আয়ের বড় উৎস হল আয়কর। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, ভারতে আয়কর ব্যবস্থার কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।আয়কর থেকে সরকার যে রাজস্ব আদায় করে, তা বিভিন্ন কাজে লাগানো হয়। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জাতীয় নিরাপত্তা, পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ওই রাজস্ব ব্যয় করে। বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে পারে সরকার।
  • ভারতে আয়কর ব্যবস্থার প্রধান মাইলফলকগুলি-
  • ১৮৬০ সালে ভারতে আয়কর ব্যবস্থার সূচনা করেন স্যর জেমস উইলসন।
  • ১৯২২ সালে আয়কর আইন চালু হয়।
  • ১৯২৪ সালে সেন্ট্রাল বোর্ড অব রিভিনিউ অ্যাক্ট গঠন হয়।
  • ১৯৬১ সালে আয়কর আইন, ১৯৬১ লাগু হয়
  • ১৯৮১ সালে আয়কর দফতরে তথ্য কম্পিউটারে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
  • ২০০৯ সালে বেঙ্গালুরুতে সেন্ট্রালাইজড প্রসেসিং সেন্টার চালু হয়।
  • ২০১৪ সালে আয়কর দফতরের নতুন জাতীয় ওয়েবসাইট চালু হয়।
  • ২০২০ সালে ‘বিবাদ সে বিশ্বাস’ স্কিম শুরু।
  • ২০২১ সালে নতুন ই-ফিলিং পোর্টালের সূচনা হয়।

গত ৫ বছরে আয়কর রিটার্ন ফাইল ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে প্রায় ৯.১৯ কোটি আইটিআর ফাইল হয়েছে। সেখানে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে তা ছিল ৬.৭২ কোটি। প্রত্যক্ষ কর আদায়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি বছরের বাজেট অধিবেশনে আয়কর পরিকাঠামো বদল করা হয়েছে। নতুন কর কাঠামো অনুসারে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে কোনও কর দিতে হবে না। বেতনভোগীদের বছরে ১২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ে শূন্য রাখা হয়েছে করের পরিমাণ। কারণ ৭৫ হাজার টাকার স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশানের সুযোগ পান তাঁরা।

নতুন স্ল্যাবে ১৬ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে ২০ শতাংশ, ২০ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে ২৫ শতাংশ এবং ২৪ লক্ষের উপরে আয়ের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কর দিতে হয়।